মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নীরবতাই বিচার- পুলিশ পরিদর্শক কামরুল ইসলাম কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বন্ধু মহল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার, পালিয়ে গেল স্বামী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা কুমিল্লা থিরাপুকুরপাড়ে টহলরত পুলিশকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ৪ বাবুবাজার ফ্লাইওভারের ওপরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদবাতূল বারী আবু কুমিল্লা নিমসারে হাইওয়ে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো পঙ্গু শাহাবুদ্দীনের বাড়িতে হাজির হলেন ছাত্রদল নেতা আসিফ

স্বামী‌কে হত‌্যার দা‌য়ে স্ত্রীর যাবৎজীবন সাজা দিল কু‌মিল্লার আদালত

আবদুর রহমান সাঈফ:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ২৯৬ বার পঠিত
কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরে স্বামী আবু তাহের হত্যা মামলার স্ত্রী জোলেখা বেগমকে (৪৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত এবং আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই বছরের জেল দেয়া হয়েছে। ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামীর গলায় দা দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের দীর্ঘ ১১ বছর পর এ রায় ঘোষণা করা হলো।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কুমিল্লার ২য় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ অল-মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে ২০০৯ সালের ৪ মার্চ রাতে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ধামগড় ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের আবু তাহেরকে ঘুমন্ত অবস্থায় গলায় দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে স্ত্রী জোলেখা বেগম। হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পূর্বে দিনের বেলায় পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে ঝামেলা হয়। পরবর্তীতে রাত ৯/১০টার দিকে স্বামী-স্ত্রী একই বিছানায় ঘুমাতে যায়। এরপর আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে স্বামী আবু তাহেরকে ঘুমে রেখে গলায় দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে স্ত্রী জোলেখা। জোলেখা আদালতে বিচারকের সামনে ১৬৪ ধারায় এভাবে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

আরও জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পরদিন পুলিশ আবু তাহেরের মরহেদ উদ্ধার করে। আর জোলেখাকে ঝোপের ভেতর থেকে আটক করে। পরবর্তীতে তাহেরের ভাই ওয়াহেদ আলী বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্যদেন।

উল্লেখ্য, এই হত্যাকাণ্ডের দুই মাস পর একই বছরের ৫ মে ওই মামলার চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com