শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নীরবতাই বিচার- পুলিশ পরিদর্শক কামরুল ইসলাম কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বন্ধু মহল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার, পালিয়ে গেল স্বামী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা কুমিল্লা থিরাপুকুরপাড়ে টহলরত পুলিশকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ৪ বাবুবাজার ফ্লাইওভারের ওপরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদবাতূল বারী আবু কুমিল্লা নিমসারে হাইওয়ে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো পঙ্গু শাহাবুদ্দীনের বাড়িতে হাজির হলেন ছাত্রদল নেতা আসিফ

কর্ণাটকে কংগ্রেসের বাজিমাত, পরাজয় মেনে নিলো বিজেপি

আন্তর্জা‌তিক সংবাদ:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩
  • ১৯৫ বার পঠিত

বিজেপির কাছে থেকে কর্ণাটক কেড়ে নিলো কংগ্রেস। ২২৪ আসনের বিধানসভার ১৩৬টিতে জয় পেয়েছে কংগ্রেস। গতবারের চেয়ে এবার দলটি ৫৬ আসন বেশি পেয়েছে। অন্যদিকে আগের চেয়ে ৪১ আসন কম পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি -বিজেপি। তারা এবার ৬৩ আসন পেয়েছে। ২২ আসন নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে জেডিএস। তারা গতবারের চেয়ে ১৫ আসন কম পেয়েছে।

কর্ণাটক বিধানসভায় মোট আসন ২২৪। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১১৩ আসনে জয়। সে অনুযায়ী রাজ্যে একক সরকার গঠন করতে যাচ্ছে কংগ্রেস।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপি নেতা বাসভরাজ বোমাই ইতোমধ্যে পরাজয় স্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য পূরণ করতে পারিনি। পুরো ফল বের হলে আমরা বিশদ বিশ্লেষণ করব। ঘাটতিগুলো খুঁজে বের করে দল পুনর্গঠন করব। লোকসভা নির্বাচনের জন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে’।

কর্ণাটকে আধিপত্য ধরে রাখতে মরিয়া ছিল বিজেপি। কট্টর অবস্থান থেকে সরে পিছিয়ে পড়া জাতিগোষ্ঠী, তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষণ কোটা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির দল।

অন্যদিকে দুর্নীতি ও অপশাসনের ওপর জোর দিয়ে প্রচার চালায় কংগ্রেস।

বিজেপির প্রচারের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেই শেষ সপ্তাহে ১৯টি সমাবেশ এবং ছয়টি রোডশো করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের মতো দলের অন্যান্য বিশিষ্ট সদস্যরাও প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন।

আর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং রাজ্য কংগ্রেস প্রধান ডি.কে. শিবকুমার কংগ্রেসের প্রচারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এ ছাড়া দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, সাবেক সভাপতি সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধী, দলের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রাসহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা অসংখ্য সমাবেশে বক্তৃতা দিয়েছিলেন।

কর্ণাটকে শেষ বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০১৮ সালে। এতে বিজেপি ১০৪ আসন পেয়ে জয়ী হয়। কংগ্রেস জেতে ৮০ আসনে। ১৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জেডিএস জেতে ৩৭টি আসন।

সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com