বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নীরবতাই বিচার- পুলিশ পরিদর্শক কামরুল ইসলাম কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বন্ধু মহল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার, পালিয়ে গেল স্বামী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা কুমিল্লা থিরাপুকুরপাড়ে টহলরত পুলিশকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ৪ বাবুবাজার ফ্লাইওভারের ওপরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদবাতূল বারী আবু কুমিল্লা নিমসারে হাইওয়ে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো পঙ্গু শাহাবুদ্দীনের বাড়িতে হাজির হলেন ছাত্রদল নেতা আসিফ

কু‌মিল্লা ব্রাহ্মণপাড়ায় জমে উঠেছে আমন ধানের চারা বি‌ক্রির হাট

মো: আবদুল আলীম খান, বি:পাড়া:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৮৮ বার পঠিত
আমন ধা‌নের চারা বি‌ক্রি কর‌তে বাজা‌রে নি‌য়ে আ‌সে কৃষকরা

কুমিল্লা-মিরপুর সড়কের ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ বাজারে রোপা আমন ধানের চারার হাট সবার নজর কাড়ছে। এ হাট থেকে উপজেলার উদ্বৃত্ত চারা যাচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়। ভাদ্রের শেষে বৃষ্টিতে জমি তৈরি ও জমিতে ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকরা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন এসব চারা। প্রকৃতির উপর নির্ভর করে বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে এই অঞ্চলের কৃষকরা রোপা আমন ধান চাষ করে থাকেন। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যখন বন্যার পানিতে বীজতলা তলিয়ে যায় তখন এখানকার ধানের চারা কৃষকদের জন্য সুফল বয়ে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আষাঢ়ের শেষে শ্রাবণের প্রথম থেকে রোপা আমন ধানের চাষ শুরু হলেও এ বছর জমিতে আউশ ধান থাকার কারনে আমন ধান চাষের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে অতিরিক্ত বৃষ্টির ও বন্যার কারনে ঠিকমত বীজতলা তৈরী করতে পারেন নাই অনেক কৃষক। ফলে এবছর রোপা আমন চাষে অনেকটা বিলম্ব হলেও বর্তমানে আবহাওয়া ভালো থাকায় চাষে আগ্রহী হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
প্রাকৃতিক বন্যার কারনে ধানের চারার ক্ষতি হওয়ায় বিপাকে পরেছিলেন অনেক কৃষক। তবে সংকট মোকাবেলায় কেউ কেউ উচু এলাকায় চারা রোপন করেছিলন। তবে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় অনেকটা ক্ষতি পুষিয়ে নিয়েছেন কৃষকরা।
সাহেবাবাদ বাজারে ধানের চারা বিক্রয় করতে আসা উপজেলার রামনগরের কৃষক হান্নান মিয়া জানান, আমি উপজেলা কৃষি অফিসারগণের পরামর্শে বিএডিসি অফিস থেকে ৪৫ কেজি ধান সংগ্রহ করে ১৫ শতক জমিতে ফলাই। এতে যে ধানের চারা হয়েছে তা দিয়ে আমার ১২০ শতক জমিতে চারা রোপন করে বাকি চারা আমি ৫ হাজার টাকা বিক্রয় করেছি এবং আমি আরো ৫ হাজার টাকার চারা বিক্রি করতে পারবো।
বাজারে আসা ক্রেতা উপজেলার নাইঘর গ্রামের কৃষক আজগর আলাী জানান, আমি সাহেবাবাদ বাজারে এসেছি আমন ধানের চারা কিনতে। এই বাজারে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা ধানের চারা ক্রয় বিক্রয় করতে আসে। আমিও প্রতি বছর এই বাজার থেকে চাহিদা ও পছন্দ মত ধানের চারা ক্রয় করে আমার জমি চাষ করি আসছি।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মাহাবুবুল হাসান বলেন, বীজতলা তৈরী থেকে শুরু করে ধানের বীজ সংগ্রহ করে দেওয়া এবং বিভিন্ন ভাবে পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করেছি আমরা কৃষি কর্মকর্তাগণ। করোনা পরবর্তী খাদ্য সংকট মোকাবেলায় আমরা কৃষি কর্মকর্তাগণ সার্বক্ষণিক কৃষকদের পাশে থেকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছি। আমন ধান রোপনের জন্য বর্তমান সরকারের নিদের্শনা অনুযায়ী আমরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের মাঝে বিনা মূল্যে ধানের বীজ, সার প্রনোদনা দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, উপজেলার সাহেবাবাদ বাজারে ধানের চারার জমজমাট হাট বসছে। বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা সেখান থেকে এসে চারা সংগ্রহ করছে। এসব চারার বীজ উদ্বৃত্ত হিসেবে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চলে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com