রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে প্রথম কুমিল্লার এসপি আনিসুজ্জামান কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও আলোচনা সভা ডিবির অভিযানে চোরাইমোটর সাইকেলসহ গ্রেফতার ৯ পদোন্নতি পেলেন নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, সহযোগিতার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে চাই – আন্দালিভ রহমান দাউদকান্দি থানা পুলিশের অভিযানে পিস্তলসহ একজন গ্রেফতার র‍্যাব বিলুপ্ত, নতুন বাহিনী এসআরবি’র চূড়ান্ত অনুমোদন কুমিল্লায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১৫ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেফতার ২ কুমিল্লা জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিশেষ কল্যাণ সভা,পুরুস্কার প্রদান ডিএমপিতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৮

১২০০ কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের সফল কা‌রিগর ডা. কামরুল ইসলাম

নাগরিক খবর অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩৯৫ বার পঠিত

অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম। বাংলাদেশের একজন সফল কিডনি চিকিৎসক। ইতোমধ্যে ১২০০ কিডনি প্রতিস্থাপনের মাইলফলক গড়েছেন প্রখ্যাত এই কিডনি বিশেষজ্ঞ। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) রাতে সিকেডি হাসপাতালে একজন রোগীর দেহে কিডনি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এই রেকর্ড গড়েন তিনি।

জানা যায়, ২০০৭ সালে সফলভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করেন অধ্যাপক কামরুল। এর আগে তিনি প্রায় এক হাজার কিডনি স্থাপন করে দেশে বিদেশে আলোচনায় আসেন এই কিডনি বিশেষজ্ঞ। এবার সে রেকর্ড ভেঙে ১২০০ কিডনি প্রতিস্থাপন করায় নেতৃত্ব দিলেন।

যেখানে প্রতিবেশি দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যয় করতে হয় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা, সেখানে সিকেডি হাসপাতালে সার্জারি ও ১৪দিন আইসিইউতে থাকার মোট খরচ ২ লাখ ১০ হাজার টাকা। ট্রান্সপ্লান্টের পরেই দায়িত্ব শেষ হয়না ডা কামরুল ইসলামের। প্রতিমাসে কিডনি দাতা ও কিডনি গ্রহীতার চেকাপের জন্য নেন না কোন ভিজিট, নেন না নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার ফিও।

সবশেষ তিনি, মঙ্গলবার ৪৫ বছর বয়সী কিডনি বিকল রোগী কাউসারের দেহে কিডনি প্রতিস্থাপন কার্যক্রম শুরু করেন অধ্যাপক কামরুলসহ ১০ জনের বিশেষজ্ঞ টিম। প্রতিস্থাপন শেষ হয় রাত ১০টার দিকে। কিডনি দাতা (ডোনার) ছিলেন রোগী কাউসারের স্ত্রী।

ট্রান্সপ্ল্যান্টের পর কিডনি গ্রহীতা এবং কিডনি দাতা কেমন আছেন— জানতে চাইলে অধ্যাপক কামরুল বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে ১২০০ তম রোগীর ট্রান্সপ্ল্যান্ট কার্যক্রম সফলভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। কিডনি গ্রহীতা এবং কিডনি দাতা উভয়েই ভালো আছেন।

তিনি বলেন, রোগীকে পোস্ট অপারেটিভ রুমে পাঠিয়ে চিকিৎসকদের অবজারভেশনে রাখা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আশা করি আগামী ১০-১২ দিনের মধ্যেই তারা হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিতে পারবেন। এরপর প্রথম তিন মাস ঢাকায় থেকে প্রতি সপ্তাহে ফলোআপ করতে হবে। এরপর মাসে একবার করে ফলোআপ করলেই চলবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন অধ্যাপক কামরুল ইসলাম। তিনি ১৯৮২ সালে মেডিকেল কলেজের সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন। এরপর যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস অব এডিনবার্গ থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৯৩ সালে স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দেন এই চিকিৎসক। ২০১১ সালে চাকরি থেকে অবসর নেন এবং সিকেডি ‌হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। শুরু ক‌রেন গরী‌বের জন্য চি‌কিৎসা সেবার কার্যক্রম।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com