মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নীরবতাই বিচার- পুলিশ পরিদর্শক কামরুল ইসলাম কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বন্ধু মহল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার, পালিয়ে গেল স্বামী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা কুমিল্লা থিরাপুকুরপাড়ে টহলরত পুলিশকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ৪ বাবুবাজার ফ্লাইওভারের ওপরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদবাতূল বারী আবু কুমিল্লা নিমসারে হাইওয়ে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো পঙ্গু শাহাবুদ্দীনের বাড়িতে হাজির হলেন ছাত্রদল নেতা আসিফ

খুলনায় গবাদিপশুর অবাধ বিচরণে ঘটছে দুর্ঘটনা, জনমনে অশান্তি

মোঃ আবুবকর সিদ্দিক,ব্যুরো প্রধান খুলনাঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৯১ বার পঠিত

খুলনার কয়রায় গৃহপালিত গবাদিপশু মাঠে- ঘাটে, রাস্তায় অবাধ বিচরণ করছে। মালিকপক্ষের উদাসীনতায় গবাদিপশুর জন্যে উপজেলার সাথে জেলার শহরের ব্যস্ততম সড়কসহ উপজেলার বিভিন্ন সড়কে চলাফেরা ও যানচলাচলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। সড়কের দু’পাশে লাগানো সরকারি বেসরকারি চারাগাছগুলোও খেয়ে ফেলছে।

সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান এবং মালিকদের সতর্কও করেছে। তবু থামেনি গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন সড়কে মহিষ, গরু ছাগল ভেড়া সহ গবাদিপশু ও হাস মুরগির হরহামেশাই চলাফেরা করছে। রাস্তা, দোকানের সামনে তারা দল বেঁধে ঘুরে বেড়ায় এবং যত্রতত্র মলমূত্র ত্যাগ করে। এতে চলাচল ও ব্যবসা বিঘ্নিত হয়। গবাদিপশুর জন্য সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। দ: বেদকাশি, উ: বেদকাশি, কয়রা সদর, বাগালি, মহেশ্বরীপুর, মহারাজপুর ও আমাদী ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কগুলোতে একই অবস্থা দেখা যায়।

পথচারী ও যানবাহন মালিকদের অভিযোগ, গবাদিপশুর খাদ্য খরচ বাঁচাতে মালিকেরা দিনে সেগুলো ছেড়ে দেয়। শত শত গরু, ছাগল, ভেড়া সড়কের পাশের দোকান সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঠে চরে বেড়ায়। দাঁড়িয়ে ও রাস্তায় শুয়ে থাকতে দেখা যায় তাদের। এতে উপজেলার প্রধান সড়ক ও অন্যান্য সড়কে পথচারীরা ভোগান্তির শিকার হয়। গবাদিপশুর কারণে যানবাহনের দুর্ঘটনা বেড়েই চলেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংগ্রাম মোড়ের গরুর মালিক বলেন, জন্মের পর থেকে গরুগুলো এখানে ছেড়ে রাখা হয়। এখানে এ গরু হারিয়ে যাওয়ার ভয় কম থাকে। বাড়িতে রাখলে গরুর খাবারের জন্য অনেক টাকা খরচ হয়। তারা সড়কের পাশের ফেলে রাখা বিভিন্ন উচ্ছিষ্ট খাবার খায়। তাই গবাদিপশুগুলো ছেড়ে দিয়ে থাকি।

কালিকাপুর চৌকুনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে গরু দেখলে ভয় পাই। কিছুদিন আগে স্কুলের এক শিক্ষার্থীকে একটি গরু গুঁতো দিয়ে ফেলে দেয়। এরপর থেকে সে রাস্তায় গরু দেখলেই ভয়ে স্কুলে যায় না।’

কয়রা উপজেলার সিনিয়র আইনজীবী এড. আনিছুর রহমান এবং এড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ শহরকে সবুজে রূপান্তরের উদ্যোগকে বাঁধাগ্রস্ত করছে। উপজেলার সড়ক বিভাগের লাগানো গাছের চারা খেয়ে ফেলছে এসব পশুর দল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com