মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নীরবতাই বিচার- পুলিশ পরিদর্শক কামরুল ইসলাম কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বন্ধু মহল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার, পালিয়ে গেল স্বামী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা কুমিল্লা থিরাপুকুরপাড়ে টহলরত পুলিশকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ৪ বাবুবাজার ফ্লাইওভারের ওপরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদবাতূল বারী আবু কুমিল্লা নিমসারে হাইওয়ে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো পঙ্গু শাহাবুদ্দীনের বাড়িতে হাজির হলেন ছাত্রদল নেতা আসিফ

পা‌কিস্তা‌নের “কালাশ” আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের বংশধর — সা‌রোয়ার রাজু

নাগ‌রিক ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৫১ বার পঠিত

কালাশ,পাকিস্তান
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমে রয়েছে খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশ। সেই প্রদেশেই আছে হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণি। যাকে গ্রীকরা বলতেন ককেশাস ইণ্ডিকাস।

এমনই এক স্বপ্নের পরিবেশে বাস করে এক স্বাধীনচেতা প্রাচীন শেতাঙ্গ জনগোষ্ঠী। তাদের চুলের রং সোনালি, চোখের মনি নীল। এই মানুষদের সৌন্দর্য যেন একেবারেই আলাদা। পাকিস্তানের আর কোনো গোষ্ঠীর মানুষদের সঙ্গে তাদের চেহারা, ধর্ম, সংস্কৃতি, সমাজব্যবস্থা ও খাদ্যাভাসের বিন্দুমাত্র মিল নেই। এই স্বাধীনচেতা গোষ্ঠি হলো কালাশ। তবে এটা স্পষ্ট যে কালাশরা অন্যন্ত কষ্টে হলেও নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রেখেছেন। যদিও তারা সংখ্যায় মাত্র চার হাজার জন।

আসলেই কি তারা আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের বংশধর?

কালাশের মানুষেরা পাকিস্তানের শাসন মানে না। তারা নিজেদেরকে কালাশ উপজাতি গ্রীক বীর আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সৈন্যসামন্তের বংশধর বলে মনে করেন। তারা জানেন মরলে লড়াই করেই মরতে হয়, কারও অধীনে থেকে নয়। আর এজন্যই পাকিস্তানও এদেরকে স্বাধীনভাবে থাকতে দিয়েছে। আর এই কালাশ উপজাতিরাও বিচ্ছিন্ন এক দুর্গম অঞ্চলে মনের সুখেই বসবাস করছে। তারাও আধুনিক দুনিয়ার বিষয়াদি নিয়ে মাথা ঘামায় না।

কালাশদের মতে, তাদের পূর্বপুরুষরা গ্রীস থেকে এসেছিলেন। ইতিহাসেও তার অনেকটাই প্রমাণ মিলেছে। ইতিহাসবিদদের মতে, কালাশরা এখন যেখানে বসবাস করেন, আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট সেই উত্তর পাকিস্তানের পাহাড়ি এলাকা জয় করেছিলেন দুই হাজার বছর আগে। কালাশ জনগোষ্ঠীর মানুষরাও এখানে বাস করছেন প্রায় দু’হাজার বছর ধরেই।

কালাশ ভাষায় কথা বলে তারা, তাদের ধর্মও আলাদা।‘কালাশ’ ভাষায় কথা বলেন কালাশ উপজাতির মানুষেরা। এর পাশাপাশি আরবি বা উর্দুর কোনো মিল নেই। কালাশরা বলেন,আলেকজান্ডার ভারত আসেন। যুদ্ধ জয়ের পর তিনি যখন গ্রিসে ফিরে যান, তার কিছু সঙ্গীরা এখানেই থেকে যান।

হিন্দুকুশের ভয়ঙ্কর পাহাড়ি ঢালে কালাশদের অতি সাধারণ বাড়িঘর। তারা পৌত্তলিক, নানা দেব-দেবীর পূজা করেন। সেখানকার নারীরাও স্বাধীনচেতা। নিজেরাই নিজেদের স্বামী বেছে নিতে পারেন। পুরুষতন্ত্রের কোনো হুঙ্কার নেই কালাশ গ্রামগুলোতে। কালাশ গ্রামে নারী-পুরুষের সমান অধিকার। ১৯৫০ সালে কালাশদের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩০,০০০ সেখানে বর্তমানে তাদের সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪১০০।

সংগ্রহ:

ডা: সা‌রোয়ার রেজা রাজু

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com