মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নীরবতাই বিচার- পুলিশ পরিদর্শক কামরুল ইসলাম কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বন্ধু মহল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার, পালিয়ে গেল স্বামী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা কুমিল্লা থিরাপুকুরপাড়ে টহলরত পুলিশকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ৪ বাবুবাজার ফ্লাইওভারের ওপরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদবাতূল বারী আবু কুমিল্লা নিমসারে হাইওয়ে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো পঙ্গু শাহাবুদ্দীনের বাড়িতে হাজির হলেন ছাত্রদল নেতা আসিফ

হ‌বিগ‌ঞ্জে ভাই বোন মি‌লে শিশু চাচাত ভাই‌কে হত‌্যা

হ‌বিগঞ্জ সংবাদদাতা:
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৬০ বার পঠিত
৩ বছ‌রের শিশু চাচাত ভাই‌কে হত‌্যা ক‌রে ঘাতক দুই ভাই বোন

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় ভাগনের সঙ্গে ঝগড়াই কাল হয়েছে শিশু আমির হামজার। ঝগড়ার জের ধরে তাকে হত্যার পর বস্তাবন্দি করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করেছেন চাচাতো ভাই-বোন।হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন নিহতের চাচাতো ভাই জুনাইদ আহমদ (২০) ও চাচাতো বোন রোজিনা বেগম (২৫)। আদালতে তারা হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা। তিনি বলেন, উপজেলার দাউদপুর গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে আমির হামজার (৩) সঙ্গে প্রায়ই চাচাতো বোন রোজিনা বেগমের দুই বছরের মেয়ের ঝগড়া হতো।বিষয়টি সহ্য করতে পারেননি রোজিনা। এতে ক্ষিপ্ত হন তিনি। একপর্যায়ে ভাই জুনাইদ আহমদকে নিয়ে শিশু চাচাতো ভাই আমির হামজাকে হত্যার পরকল্পনা করেন।

২ নভেম্বর বিকেলে পরিকল্পনা অনুযায়ী আমির হামজাকে ডেকে নিয়ে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। পরে তার মরদেহ বস্তাবন্দি করে নিজের ঘরে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়।এদিকে, আমির হামজার মা-বাবা তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কেউ যাতে সন্দেহ না করে তাই জুনাইদও খোঁজাখুঁজিতে অংশ নেন। রাতে রোজিনা খাটের নিচ থেকে আমির হামজার বস্তাবন্দি মরদেহ বের করে বাড়ির সিএনজি অটোরিকশার গ্যারেজে ফেলে রাখেন।রাতেই খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সন্দেহভাজন হিসেবে জুনাইদকে আটক করে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি। এরই প্রেক্ষিতে রোজিনাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তিনি ঘটনার বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com