

২৮ জানুয়ারি শেরপুর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জন্য নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত যে কোনও প্রাণহানি অগ্রহণযোগ্য এবং গভীরভাবে দুঃখজনক।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। সরকার বিএনপি ও জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শন এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংযম নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনও স্থান নেই।
সরকারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, শেরপুরের পুলিশ সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু হয়েছে, দোষীদের বিচারের আওতায় আনা হবে। জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, “শান্তি বজায় রাখা, আইনের শাসনকে সম্মান করা এবং শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সম্পৃক্ত করতে সব দল, নেতা ও প্রচারকদের অবশ্যই তাদের ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সব দিক থেকে শান্ত, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপর।
অন্তর্বর্তী সরকার একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।