সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নীরবতাই বিচার- পুলিশ পরিদর্শক কামরুল ইসলাম কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বন্ধু মহল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার, পালিয়ে গেল স্বামী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা কুমিল্লা থিরাপুকুরপাড়ে টহলরত পুলিশকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ৪ বাবুবাজার ফ্লাইওভারের ওপরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদবাতূল বারী আবু কুমিল্লা নিমসারে হাইওয়ে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো পঙ্গু শাহাবুদ্দীনের বাড়িতে হাজির হলেন ছাত্রদল নেতা আসিফ

এফবিআইয়ের অভিনব ফাঁদে বিশ্বে ৮০০ অপরাধী গ্রেফতার

নাগরিক অনলাইন ডেস্কঃ
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৯ জুন, ২০২১
  • ৫২৮ বার পঠিত

সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের কাছে এনক্রিপটেড ফোন বিক্রির পর তাতে নজরদারি করে বিশ্বের ১৮টি দেশ থেকে ৮০০ অপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে এফবিআই। 

মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ, দক্ষিণ আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে মাদকপাচারে জড়িতদের ওপর এই ফাঁদ পেতেছিল। মঙ্গলবার (৮ জুন) কর্মকর্তাদের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে।
অভিযানে অপরাধীদের আটকের পাশাপাশি ১৪ কোটি ৮০ লাখ ডলারের নগদ অর্থ, কয়েক টন মাদক, ক্রিপ্টোকারেন্সি, অস্ত্র ও বিলাসবহুল গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।
অস্ট্রেলীয় প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, সংঘবদ্ধ অপরাধীদের বিরুদ্ধে এটি একটি বড় আঘাত। কেবল আমাদের দেশেই না, সারা বিশ্বে এর প্রতিফলন ঘটেছে। অস্ট্রেলিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ইতিহাসে এটি একটি আনন্দঘন মুহূর্ত।
২০১৮ সালে অস্ট্রেলীয় পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ট্রোজান শিল্ড নামের এই অভিযানের পরিকল্পনা করে এফবিআই।
দেশটির ফেডারেল পুলিশ কমিশনার রিস কারশ জানান, বিশ্বজুড়ে চলা অভিযানে কেবল তার দেশ থেকেই ২২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে অবৈধ ঘোষিত মোটরসাইকেল গ্যাং-এর সদস্যরাও আছেন।
নিউজিল্যান্ডে ৩৫ জন, সুইডেন ও জার্মানি থেকে ১৩৫ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নেদারল্যান্ডসে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৯ জন।
অপরাধী চক্রের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা অ্যাপটি অ্যানম নামে এফবিআই পরিচালিত একটি এনক্রিপ্টেড ডিভাইস কোম্পানি বানিয়েছিল। এফবিআই পরে গোপনে তাদের চরদের মাধ্যমে আন্ডারওয়ার্ল্ডের অপরাধীদের কাছে ওই অ্যাপসহ ফোন সরবরাহ করে।
অ্যাপটি দ্রুতই অপরাধীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। শতাধিক দেশের ৩০০টিরও বেশি অপরাধী চক্র অ্যাপ সম্বলিত প্রায় ১২ হাজার ডিভাইস ব্যবহার করে।
অ্যাপটির ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো মাদক বেচাকেনা, সহিংসতা, খুনসহ সম্ভাব্য নানান অপরাধ ও অপরাধের পরিকল্পনার কথা জানতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com