বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নীরবতাই বিচার- পুলিশ পরিদর্শক কামরুল ইসলাম কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাদুল বারী আবুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় বন্ধু মহল কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার, পালিয়ে গেল স্বামী কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় দুইজনকে আসামি করে হত্যা মামলা কুমিল্লা থিরাপুকুরপাড়ে টহলরত পুলিশকে ছুরিকাঘাত কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ৪ বাবুবাজার ফ্লাইওভারের ওপরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদবাতূল বারী আবু কুমিল্লা নিমসারে হাইওয়ে পুলিশের উপর হামলা ও গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৯ তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো পঙ্গু শাহাবুদ্দীনের বাড়িতে হাজির হলেন ছাত্রদল নেতা আসিফ

বাংলা‌দে‌শে বু‌লেট ট্রেন – ঢাকা চট্রগ্রাম ৫৫ মি‌নি‌টে

নিজস্ব প্রতি‌বেদক:
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ, ২০২১
  • ৫০৯ বার পঠিত

স্বপ্নের বুলেট ট্রেন বাস্তবায়নে আরও এক ধাপ এগোল বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রকল্পের জন্য অর্থ জোগাড় ও নির্মাণে সহায়তায় রাজি চীনের দুটি প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পের এক লাখ হাজার কোটি টাকার ঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ সময় পাবে ২০ বছর। চীনের প্রস্তাব বিবেচনা করছে রেলওয়ে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছর শুরু হবে ঢাকা-চট্টগ্রাম বুলেট ট্রেনের চূড়ান্ত কার্যক্রম।

বুলেট ট্রেন। মাত্র ৫৫ মিনিটে রাজধানী থেকে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে পৌঁছে যাবে। অনেকটা অবিশ্বাস্য হলেও সে পথেই পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সমীক্ষা অনুযায়ী ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত ২২৭ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণ করা হবে। থাকবে ৬টি অত্যাধুনিক রেলস্টেশন। পথের পুরোটাই হবে সংক্রিয় সিগনাল ব্যবস্থা সম্পন্ন। ট্রেনের গতি হবে ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার মিটার। রূপকথার মতো এই প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে এক লাখ হাজার কোটি টাকা।
এ বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস খুঁজছিল রেলওয়ে। সেই অর্থের জোগান ও নির্মাণে সহায়তার হাত বাড়িয়েছে চায়না রেলওয়ে কন্সট্রাকশন করপোরেশন ও চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাকশন করপোরেশন নামে দুটি প্রতিষ্ঠান। যারা যৌথভাবে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে প্রয়োজনীয় ঋণের সংস্থান ও নির্মাণের দায়িত্ব নেবে। পরে সেই ঋণ পরিশোধ করবে রেলওয়ে।
প্রতিষ্ঠানটি ৫ বছর রেলপথটি পরিচালনা করে বাংলাদেশকে হস্তান্তর করবে। এ সময় অর্জিত অর্থ জমা হবে রেলের কোষাগারে। ঋণ শোধের জন্য বাংলাদেশ সময় পাবে ২০ বছর। চীনের প্রস্তাবটি মতামতের জন্য সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে পাঠানো হবে জানিয়ে প্রকল্প পরিচালক কামরুল আহসান জানান, এ বছরই চীনের সঙ্গে কাজ শুরু করতে চায় রেলপথ মন্ত্রণালয়। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী বছরই শুরু হবে দ্রুতগতির রেলপথ নির্মাণের চূড়ান্ত কার্যক্রম। তিনি বলেন, চায়নার দুটি কোম্পানি থাকবে আর রেলওয়ের সহযোগিতা থাকবে। তারা ঋণ ম্যানেজ করে দেবে।
প্রতিদিন এ পথে ৫০ হাজার যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পরে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত এ রেলপথ বর্ধিত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com