সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ১২ সদস্য গ্রেফতার পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া কুমিল্লায় নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে বৈষম্য: সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নিন্দা নিরাপত্তাহীনতায় আছি- ভিপি নুর সবার আগে বাংলাদেশ’ ইশতেহারে নয়টি প্রতিশ্রুতি বিএনপির শেরপুরে সহিংসতায় জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকারের খসড়া অধ্যাদেশ তারেক রহমানকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনের বিশেষ প্রতিবেদন জাতীয় নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে : আইজিপি

জে‌লে ব‌সে প্লান-প্রিজন ভ‌্যান থে‌কে পালা‌লো আসা‌মি! ডি‌বির হা‌তে গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতি‌বেদক:
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১
  • ৭২৫ বার পঠিত
প্রিজনভ‌্যান থে‌কে পালা‌নো আসা‌মি হারুনকে গ্রেফতার ক‌রে ডি‌বি পু‌লিশ।

কোর্টে হাজিরা দিতে এসে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে হাতকড়া খুলে সুকৌশলে পালিয়ে যান হারুন অর রশীদ নামে এক আসামি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। পালানোর ৮ দিন পর গোয়েন্দা পুলিশ তাকে গাজীপুরের একটি বনের ভেতর থেকে গ্রেফতার করে।

মাত্র কয়েক সেকেন্ডে হাতকড়া খুলে ফেলতে পারেন হারুন অর রশীদ সুমন। ২৩ ফেব্রুয়ারি ডাকাতি মামলার হাজিরা দিতে তাকে নিয়ে আসা হয় সিএমএম কোর্টে। কোর্টে আনার সময় পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হাতকড়া লাগানোর সময় সুকৌশলে হাতটি বাকা করে হ্যান্ডকাফ লুস করে রাখেন। প্রিজন ভ্যান থেকে কারাগারে নেয়ার সময় হাতকড়া খুলে দায়িত্বরত পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় ৮ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ। পালিয়ে গিয়ে সুমন গাজীপুরের কালিয়াকৈরের গহিন বনের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে কাটে ৭ দিন। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তার অবস্থান জানতে সক্ষম হয়। আবারও হাতকড়া পড়ে সুমনের হাতে।
জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানান, প্রিজন ভ্যান থেকে পালানোর পরিকল্পনা হয় জেলে বসেই।
আসামি হারুণ অর রশীদ বলেন, ‘জেলখানায় খুব কষ্ট হতো। জেলখানায় বসে একটা প্ল্যানিং করি কেমনে পালানো যায়। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী কোর্টে হাজিরার অপেক্ষায় ছিলাম। আমার একটা ডাকাতি মামলায় কোর্টে হাজিরা পড়ে। ওই দিনই চিন্তা করি, যা আছে কপালে ভাইগা যামু।
 প্রিজন ভ্যান থেকে পালানো সুমনের একটি গ্যাংয়ের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ লালবাগ বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার রাজীব আল মাসুদ বলেন, হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে আমরা ৮টি মামলা পেয়েছি। তার মধ্যে খুন, দস্যুতা, মাদক মামলা এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা পেয়েছি। সে গ্রেফতার হয়েছে একটি ডাকাতি মামলায়। আমরা তার গ্যাংয়ের তথ্যও পেয়েছি। এর আগেও একবার ভ্যান থেকে পালানোর পরিকল্পনা করেন আসামি সুমন। বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com