বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ১২ সদস্য গ্রেফতার পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া কুমিল্লায় নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে বৈষম্য: সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নিন্দা নিরাপত্তাহীনতায় আছি- ভিপি নুর সবার আগে বাংলাদেশ’ ইশতেহারে নয়টি প্রতিশ্রুতি বিএনপির শেরপুরে সহিংসতায় জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকারের খসড়া অধ্যাদেশ তারেক রহমানকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনের বিশেষ প্রতিবেদন জাতীয় নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে : আইজিপি

ইয়াবার বি‌নিম‌য়ে পিস্তল নি‌য়ে আস‌ছে রো‌হিঙ্গারা : অস্ত্রসহ গ্রেফতার ২

নিজস্ব প্রতি‌বেদক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫২৫ বার পঠিত
অস্ত্রসহ গ্রেফতার দুই রো‌হিঙ্গা

কক্সবাজারের টেকনাফ এবং উখিয়ার আশ্রয় শিবিরগুলোতে আধিপত্য বজায় রাখতে ইয়াবার বিনিময়ে এবার অস্ত্র সংগ্রহ শুরু করেছে রোহিঙ্গারা। ২০ থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা ঢাকায় পৌঁছে দেয়ার বিনিময়ে মিলছে বিদেশি পিস্তল। অস্ত্র ও গুলিসহ ২ ক্যারিয়ারকে আটকের পর চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

কিছুদিন ধরেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিবাদমান গ্রুপগুলো আধিপত্য বজায় রাখতে সংঘাতে দেশীয় অস্ত্রের পাশাপাশি ব্যবহার করছে অত্যাধুনিক সব আগ্নেয়াস্ত্র। রোহিঙ্গাদের ব্যবহৃত অস্ত্রের উৎসের সন্ধানে নেমে গত ৪ নভেম্বর নগরীর বাকলিয়া এলাকায় মার্কিন পিস্তল এবং ২টি ম্যাগজিনসহ আটক করে রাজ্জাক নামে এক রোহিঙ্গাকে। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আটক করা হয় কামাল নামে আরেকজনকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ঢাকায় পৌঁছে দেয়ার বিনিময়ে ক্যাম্পের জন্য মিলছে বিদেশি পিস্তল।
বাকলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘কামালকে গ্রেফতার করার পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে আমাদেরকে জানায়, তারা ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার ইয়াবার বিনিময়ে অস্ত্র নিয়ে এসে রোহিঙ্গাদেরকে সরবরাহ করে থাকে।’
পুলিশের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসছে, ইয়াবার বিনিময়ে অস্ত্র কেনার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে ক্যাম্পভিত্তিক একশোর বেশি কথিত রোহিঙ্গা মাষ্টার। একই সাথে রয়েছে কয়েকশ ক্যারিয়ার।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ উপ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান বলেন, ‘ক্যারিয়ার যারা, বিশেষ করে অস্ত্র নিয়ে যাচ্ছে নিজেদের লাগেজে করে।সেখান থেকে ওই লাগেজে আবার ইয়াবা নিয়ে আসছে। এই চক্রে আরও বেশ কিছু সদস্য জড়িত আছে এবং অচিরেই তারা ধরা পড়বে বলে আমার বিশ্বাস।’
এদিকে রোহিঙ্গা অস্ত্র ব্যবসায়ীদের সন্ধানে ক্যাম্পগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন রেঞ্জ ডিআইজি। বিশেষ গত মাসে সংঘাতে ৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় আটককৃত রোহিঙ্গাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া নেয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘অপরাধমূলক কাজ করার জন্যই তারা অস্ত্রগুলো বহন করছিল। কি ধরণের অপরাধ করার জন্য তারা এটা বহন করছে, সেটা আমরা যাচাই করে বের করব।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com