বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ১২ সদস্য গ্রেফতার পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া কুমিল্লায় নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে বৈষম্য: সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নিন্দা নিরাপত্তাহীনতায় আছি- ভিপি নুর সবার আগে বাংলাদেশ’ ইশতেহারে নয়টি প্রতিশ্রুতি বিএনপির শেরপুরে সহিংসতায় জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকারের খসড়া অধ্যাদেশ তারেক রহমানকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনের বিশেষ প্রতিবেদন জাতীয় নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে : আইজিপি

বাঙলা কলেজে রুবেল হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ২

নাগরিক অনলাইন ‌ডেস্ক:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৩৬৪ বার পঠিত

লালমনিরহাট সদর এলাকা থেকে ৫ জানুয়ারি নিখোঁজ হন রুবেল মিয়া। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুরের সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে তার অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায়।

মরদেহ পাওয়ার পর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তারা জানতে পারেন, চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন রুবেল মিয়া। চোর ভেবে কয়েকজন লোক তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করেন। এরপর গলায় রশি পেঁচিয়ে হত্যা করেন তাকে।

রুবেল হত্যার ঘটনায় রাজধানীর দারুস সালাম থানার করা মামলায় অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার গাজীপুরের শ্রীপুর ও রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাদের গ্রেফতার করে গোয়েন্দা মিরপুর জোনাল টিম। গ্রেফতাররা হলেন- আব্দুল জলিল ও আব্দুল মান্নান। পেশায় তারা নির্মাণাধীন ওই ভবনের কেয়ারটেকার।

রোববার (১৬ জানুয়ারি) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম ও ডিবি-উত্তর বিভাগের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারি সকাল ১০টার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন রুবেল মিয়া। লালমনিরহাট সদর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন তিনি। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনের পঞ্চম তলার ৮১৬ নম্বর কক্ষ থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় নিহতের চাচা ১৪ জানুয়ারি দারুস সালাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা মিরপুর জোনাল টিম।

তিনি আরও বলেন, তদন্তকালে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে আব্দুল জলিল ও আব্দুল মান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার আব্দুল জলিল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ৯ জানুয়ারি বিকেলে রুবেলকে সরকারি বাঙলা কলেজের নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে চোর ভেবে তারা আটক করেন। এর আগে তাদের চুরি যাওয়া মোবাইল ও টাকা উদ্ধারের জন্য রুবেলের হাত রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। পরে একই রশি গলায় পেঁচিয়ে দেন। এর ফলে রুবেল মারা যান। এরপর ভয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে পালিয়ে যান আব্দুল জলিল ও আব্দুল মান্নান।

গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মানস কুমার পোদ্দার বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে জেনেছি, নিহত রুবেল চিকিৎসার জন্য ঢাকায় এসেছিলেন। তার পরিহিত জামার পকেটে আমরা একটি প্রেসক্রিপশন পেয়েছি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে, এটি পরিকল্পিত মার্ডার নয়। তবুও ঘটনার বিশদ তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আরও তথ্য মিলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com