রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ১২ সদস্য গ্রেফতার পুলিশের কাজে অবৈধভাবে কেউ বাধা দিতে পারবে না- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করেন এমপি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া কুমিল্লায় নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কার্ড বিতরণে বৈষম্য: সাংবাদিক সংগঠনগুলোর নিন্দা নিরাপত্তাহীনতায় আছি- ভিপি নুর সবার আগে বাংলাদেশ’ ইশতেহারে নয়টি প্রতিশ্রুতি বিএনপির শেরপুরে সহিংসতায় জামায়াত নেতা নিহতের ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন গঠনে সরকারের খসড়া অধ্যাদেশ তারেক রহমানকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনের বিশেষ প্রতিবেদন জাতীয় নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে : আইজিপি

বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাব : প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা

এমইএস:
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০
  • ২৮৯ বার পঠিত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা ফাইল ছ‌বি

দেশের মানুষকে উন্নত জীবন দেয়ার লক্ষ্যে দলের সব নেতাকর্মীকে শপথ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা এই বলে প্রতিজ্ঞা করি, পিতা তোমায় কথা দিলাম, তোমার বাংলার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাব। এই বাংলার মানুষ যেন উন্নত জীবন পায় এবং বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে চলতে পারে, সেই ব্যবস্থা আমরা করব। তুমি যে স্বপ্ন দেখেছিলে, তা বাস্তবায়ন করব।’

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রোববার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্মরণসভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে বলেন, ‘জিয়া ক্ষমতায় থাকতে যা করে গেছে খালেদা জিয়াও ঠিক একই কাজ করেছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পেছনে জিয়ার ইন্দন ছিল। কর্নেল ফারুক তার ইন্টারভিউতে এ কথা স্বীকার করেছে। খন্দকার মোশতাক রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর জিয়াকে সেনাপ্রধান করল। খুনি-বেঈমান মোশতাক তিন মাসও ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। এটা কেন করেছে, তা সবাই বুঝতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তার সংযোগ ছিল, আঁতাত ছিল। খুনিদের বিদেশে চাকরি দিয়েছেন, তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছেন। জিয়া ক্ষমতায় এসে হাজার হাজার সৈনিক ও আর্মি অফিসারকে হত্যা করেছেন। কেউ কোনো প্রতিবাদ করতে পারেনি। কেউ যদি প্রতিবাদ করত, তাকে আর জীবিত পাওয়া যেত না। প্রতিবাদ করার সঙ্গে সঙ্গে সাদা গাড়ি এসে তাকে তুলে নিয়ে যেত। এভাবে জিয়াউর রহমান এই দেশে খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়াও ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে খুনি কর্নেল রশিদ ও হুদাকে নির্বাচিত করে এনেছিল। রশিদকে তিনি বিরোধী দলের চেয়ারে বসিয়েছিলেন। এছাড়া খালেদা জিয়া অপারেশন ক্লিনহার্টের নামে কত মানুষকে হত্যা করেছে, শত শত মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করেছে। খালেদার শাসনামলেও রাজনীতি করার মতো কোনো পরিস্থিতি ছিল না। তিনিও এসব হত্যার ইনডেমনিটি দিয়ে গেছে। এসব হত্যার বিচার করা যাবে না। এভাবে জিয়া এবং তার স্ত্রী এ দেশে খুনের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন।’

হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ দেশের মানুষ শান্তি পেয়েছে। আওয়ামী লীগ এ দেশের মানুষের জন্য অনেক কিছু করেছে। আমাদের অনেক আশা ছিল, আমরা মুজিববর্ষকে অনাড়ম্বরভাবে উদযাপন করব কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে তা সম্ভব হয়নি। দলীয় হাজার হাজার নেতাকর্মী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। করোনাভাইরাসের এই সময়ে মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করতে গিয়ে আমাদের আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।’

তিনি বলেন, আমরা বৃক্ষরোপণের যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছি, মুজিববর্ষে এ কর্মসূচি আমাদের অব্যাহত থাকবে। এছাড়া এ দেশের একটা মানুষও গৃহহীন থাকবে না, প্রত্যেকটা মানুষ যেন তার বাসস্থান পায় সে ব্যবস্থা ক@

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 nagorikkhobor.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com